আমরা কে?
2222be – বাংলাদেশের খেলাপ্রেমীদের জন্য, বাংলাদেশিদের তৈরি
২০১৮ সালে যখন 2222be যাত্রা শুরু করে, তখন লক্ষ্য ছিল একটাই – বাংলাদেশের কোটি কোটি খেলাপ্রেমী মানুষের জন্য একটা বিশ্বমানের কিন্তু দেশীয় অনুভূতির বেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলোতে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা ভাষার সমস্যায় পড়তেন, পেমেন্টে ঝামেলা হতো, আর সাপোর্ট পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো। 2222be এই সব সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছে।
আমরা বিশ্বাস করি, বেটিং শুধু টাকা জেতার ব্যাপার নয় – এটা খেলার সাথে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত হওয়ার একটা উপায়। ক্রিকেট মাঠে বসে বাংলাদেশের ব্যাটিং দেখছেন, আর সাথে 2222be-তে লাইভ বেট – এই অনুভূতিটাই আলাদা। মাঠের উত্তেজনা হাজার গুণ বেড়ে যায়।
2222be আজ বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ও বিশ্বস্ত অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম। দুই লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য, প্রতিদিন পাঁচশোরও বেশি লাইভ ইভেন্ট, এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আমরা প্রতিনিয়ত সেবা উন্নত করে যাচ্ছি।
আন্তর্জাতিক লাইসেন্স
SSL এনক্রিপশন
নিরাপদ পেমেন্ট
পুরস্কারজয়ী সাপোর্ট
আমাদের যাত্রা
2222be-র ইতিহাস – কীভাবে এতটা পথ এলাম
প্রতিটি বড় ব্র্যান্ডের পেছনে থাকে একটা গল্প। 2222be-র গল্পটা শুরু হয়েছিল সামান্য কিছু মানুষের একটা স্বপ্ন থেকে।
২০১৮
প্রতিষ্ঠার শুরু
ঢাকায় একটি ছোট্ট দল নিয়ে 2222be-র যাত্রা শুরু। প্রথম দিকে মাত্র ৫টি খেলার কভারেজ ছিল, কিন্তু বাংলা ভাষায় সার্ভিসের প্রতিশ্রুতি ছিল অটল।
২০১৯
প্রথম বড় মাইলফলক
10,000 নিবন্ধিত সদস্যের মাইলফলক ছুঁয়ে যায়। Mobile Pay পেমেন্ট সংযুক্ত হয় – বাংলাদেশের বেটারদের জীবন সহজ হয়।
২০২০
লাইভ বেটিং চালু
রিয়েল-টাইম লাইভ বেটিং ফিচার চালু হয়। একই বছরে মোবাইল অ্যাপের প্রথম ভার্সন লঞ্চ হয়। ব্যবহারকারী সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যায়।
২০২১
ই-স্পোর্টস ও বিস্তার
PUBG, CS:GO সহ ই-স্পোর্টস বেটিং যোগ করা হয়। Nagad ও Rocket পেমেন্ট সংযুক্ত হয়। আন্তর্জাতিক লাইসেন্স অর্জন।
২০২২–২৩
দ্রুত বিকাশের পর্ব
সদস্য সংখ্যা ১ লক্ষ পেরিয়ে যায়। কাস্টমার সাপোর্ট দল তিনগুণ বড় হয়। BPL ও IPL-এর বিশেষ কভারেজ শুরু হয়।
২০২৬
আজকের 2222be
২ লক্ষেরও বেশি সদস্য, ৩০+ খেলার কভারেজ, ৫০০+ দৈনিক ইভেন্ট এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত স্পোর্টস বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃতি।
আমাদের বিস্তারিত গল্প
2222be যেভাবে বাংলাদেশের বেটিং সংস্কৃতিকে বদলে দিচ্ছে
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং নিয়ে অনেক মানুষের মনে একটা ভুল ধারণা আছে। মনে করা হয়, এটা অস্বচ্ছ, ঝুঁকিপূর্ণ বা বিদেশি কোম্পানির হাতিয়ার। 2222be এই ধারণাটাকে চ্যালেঞ্জ করেছে প্রতিদিনের কাজের মাধ্যমে।
আমরা যখন শুরু করেছিলাম, তখন বাংলাদেশের বেটারদের বিদেশি সাইটে ইংরেজিতে নেভিগেট করতে হতো, ডলারে চিন্তা করতে হতো, আর পেমেন্টের জন্য ক্রিপ্টো বা ব্যাংক ওয়্যার ট্রান্সফারের ওপর নির্ভর করতে হতো। এই অবস্থাটা বাংলাদেশের সাধারণ খেলাপ্রেমীদের জন্য অনেক বাধার তৈরি করত।
2222be প্রথমে বাংলা ইন্টারফেস নিয়ে আসে। এটা শুনতে সহজ মনে হলেও, সেই সময়ে এটা ছিল বিপ্লব। হঠাৎ করে চট্টগ্রামের একজন রিকশাচালক, সিলেটের একজন চা শ্রমিক বা রাজশাহীর একজন কৃষক – সবাই সহজে বুঝতে পারলেন বেটিং কীভাবে কাজ করে। Mobile Pay পেমেন্ট যোগ হওয়ার পর তো রীতিমতো বিস্ফোরণ ঘটল।
কিন্তু 2222be-র সত্যিকারের পরিচয় তৈরি হয়েছে তার পেমেন্ট রেকর্ড থেকে। গত ছয় বছরে একটিও বৈধ পেআউট বন্ধ হয়নি, একটিও বৈধ দাবি অস্বীকার হয়নি। এই রেকর্ড বাংলাদেশের বেটিং শিল্পে বিরল।
দায়িত্বশীল গেমিংয়ের বিষয়টাও 2222be খুব সিরিয়াসলি নেয়। প্রতিটি একাউন্টে ব্যয়সীমা নির্ধারণের সুবিধা আছে। আমাদের সিস্টেম অস্বাভাবিক বেটিং প্যাটার্ন শনাক্ত করতে পারে এবং সেক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে। খেলাধুলার ভালোবাসা যাতে কখনো নেশায় পরিণত না হয় – এটা আমাদের দায়িত্ব বলে মনে করি।
আজকের 2222be শুধু একটা বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয়। এটা হলো বাংলাদেশের স্পোর্টস সংস্কৃতির একটা অংশ। ক্রিকেট বিশ্বকাপের সময় 2222be-তে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের বেটিং মানে লাখো বাংলাদেশি একসাথে খেলার রোমাঞ্চ অনুভব করছেন। এই একতার অনুভূতিটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওনা।